শিরোনাম:

সিমের পর ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে নিবন্ধিত হবে হ্যান্ডসেটও

বিডিকষ্ট ডেস্ক

ঢাকা: সিম গ্রাহকের আঙুলের ছাপ নিবন্ধনের পর এবার ব্যবহৃত হ্যান্ডসেটের ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল স্টেশন ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি (আইএমআই) নম্বর নিবন্ধনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। গ্রাহকের পরিচয় ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মোবাইল ফোন আমদানীকারকদের সংগঠন ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি যৌথভাবে এই উদ্যোগ বাস্তাবয়ন করছে।

এরই অংশ হিসেবে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম ন্যাশনাল আইএমআই ডেটাবেজ উদ্বোধন করবেন। দেশীয় সফটওয়্যার ডেভেলপারদের তৈরি এই ডেটাবেজ সফটওয়্যারে আমদানিকৃত বা দেশে অ্যাসেম্বেল করা হ্যান্ডসেটের ১৫ ডিজিটের সিরিয়াল নম্বর নিবন্ধিত থাকবে। নিবন্ধিত নম্বরটির মাধ্যমে অনলাইনেই হ্যান্ডেসেটটির যাবতীয় তথ্য যাচাই করতে পারবেন বিক্রেতা-ক্রেতাসহ যে কেউ।

meizu_m1_note_511539454
এর ফলে হ্যান্ডসেট চুরি কমার পাশাপাশি এটি ব্যবহার করে সংঘটিত অপরাধের মাত্রাই শুধু কমবে না, সরকারের আমদানি শুল্কও বাড়বে বলে জানিয়েছেন মোবাইল ফোন ইমপোটার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমপিএ) সাধারন সম্পাদক রেজওয়ানুল হক।

তিনি বলেন, এতোদিন বিটআরসিতে ম্যানুয়ালি আইএমআই নিবন্ধন করে ছাড়পত্র দেয়া হতো। এই পদ্ধতি চালুর পর তা ডিজিটাল পদ্ধতিতে রূপান্তরিত হবে। পর্যায়ক্রমে এ ডেটাবেজ নিবন্ধনের সঙ্গে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোকেও যুক্ত করা হবে। তখন আইএমইআই ডেটাবেজে কোনো সেট নিবন্ধিত না হলে সেটি কোনো মোবাইল ফোন অপারেটরের নেটওয়ার্কে কাজ করবে না।

রেজওয়ানুল হক বলেন, গত ডিসেম্বরে শুরু হওয়া সিমের বায়োমেট্রিক নিবন্ধন এপ্রিলের মধ্যে শেষ হবে। আর সিমের নিবন্ধনের মাধ্যমে নিরাপত্তার অর্ধেকটা নিশ্চিত হবে। এরপর হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন করা গলে নিরাপত্তার শতভাগ নিশ্চিত হবে।

তিনি বলেন, ইতিমধ্যেই ডেটাবেজের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এখন টেস্ট রান চলছে। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পরীক্ষামূলক ভাবে ডেটাবেজের সক্ষমতা যাচাই করা হবে। এরপর ৩ ফেব্রুয়ারি টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী এটি উদ্বোধন করবেন।

ডেটাবেজটি চালুর মাধ্যমে সেটের কান্ট্রি লক সিস্টেমও চালু করা সম্ভব হবে বলে জানান মি. হক। বললেন, তবে এই ডেটাবেজে কেবল নতুন করে আমদানীকৃত সেটই নিবন্ধিত হবে। বাজারে থাকা ৭ কোটির মতো সেটের নিবন্ধন অনেকটাই অসম্ভব।আর বছর তিনেকর মধ্যেই এসব সেট বাজার থেকে উধাও হয়ে যাবে। তাই পুরোনো সেট নিবন্ধন্ধের বিষয়ে বিএপপিএ নমনীয়।

রেওয়ানুল হক বলেন, বর্তমানে প্রতি বছর আড়াই কোটির কিছু বেশি হ্যান্ডসেট আমাদনি হয়। বৈধ পথে আমদানি হওয়া সব সেটের নিবন্ধন হলে তখন অবৈধ পথে আমদানি হওয়া সেটের নিয়ন্ত্রণও সম্ভব হবে। তাদের ধারণা বর্তমানে ২০ শতাংশ হ্যান্ডসেট আসে অবৈধ পথে। শুরুতেই এটা ১৫ শতাংশে নেমে আসবে। এক সময় শুন্যের কোঠায় চলে আসবে।

উৎসঃ নতুন বার্তা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Anti-Spam Quiz: