শিরোনাম:

দেশকে অপুষ্টির অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে পারে ডিমই

BDcost Desk:


অপুষ্টির এ অভিশাপ থেকে দেশকে মুক্ত করতে ডিম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন পোল্ট্রি বিশেষজ্ঞরা। আজ জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত ‘বিশ্ব ডিম দিবসে’র এক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন বিশেষজ্ঞরা।সাম্প্রতিক এক গবেষণায় উদ্ধৃতি দিয়ে বিশেষজ্ঞরা আরো বলেন, দেশের প্রায় ২৪ শতাংশ নারী দীর্ঘমেয়াদি অপুষ্টির সমস্যায় ভুগছেন আর অপুষ্টির শিকার মায়েদের কারণে ৯২ লাখ শিশু রক্ত স্বল্পতায় ভুগছে। প্রচুর শিশু খর্বাকায়, কম ওজনের এবং শারীরিকভাবে দূর্বল হচ্ছে। এমন চিত্রই ফুটে উঠেছে। শুধু তাই নয় পুষ্টিহীনতার কারণে শিশুরা রাতকানা, রক্ত স্বল্পতা, হাড্ডিসার হয়ে যাওয়া ইত্যাদি রোগে ভোগে। তারা বলেন, অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জন করতে হলে সবার আগে মা ও শিশুদের পুষ্টিহীনতা দূর করতে হবে।প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাষ্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি) যৌথভাবে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যাথলজি বিভাগের প্রফেসর ড. প্রিয় মোহন দাস এবং পোল্ট্রি সায়েন্স বিভাগের প্রফেসর ড. সুভাষ চন্দ্র দাস। সঞ্চালক ছিলেন বিপিআইসিসি’র কোষাধ্যক্ষ ডা. নজরুল ইসলাম।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ ছায়েদুল হক বলেন,দেশ থেকে অপুষ্টি দূর করতে সরকার বদ্ধপরিকর। তিনি বলেন, মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বের মধ্যে চতুর্থ স্থান অধিকার করেছে। দুধের ঘাটতি পূরণে সরকার বেশকিছু পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। বর্তমানে দেশের মোট প্রাণিজ আমিষের প্রায় ৪৫ শতাংশ আসছে পোল্ট্রি খাত থেকে। ২০১৭ সাল থেকে ‘প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ’ পালনের ঘোষণা দেন মন্ত্রী।
তিনি বলেন, সরকার মাথাপিছু ডিমের কনজাম্পশন বছরে ১০৪টিতে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ করছে। তিনি বলেন- মাছ, মাংস, ডিম, দুধ এ খাদ্যগুলোর জন্য আমরা বিদেশের উপর নির্ভরশীল হতে চাইনা। দেশীয় পোল্ট্রি শিল্পের উন্নয়নের স্বার্থেই ডিম (টেবিল এগ) আমদানি নিষিদ্ধ করে রেখেছে সরকার।এদিকে ডিমকে ‘সুপার ফুড’ হিসেবে আখ্যায়িত করে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অজয় কুমার রায় বলেন- ডিমের মত এত স্বল্পমূল্যের প্রাণিজ আমিষ দ্বিতীয়টি নেই। মা, শিশু, যুবক, বৃদ্ধ সব বয়সী মানুষের জন্য ডিম একটি আদর্শ খাদ্য। মেধাবী জাতি গড়তে হলে ডিম খাওয়ার পরিমান আরও বাড়াতে হবে।বিপিআইসিসি’র এর সভাপতি মসিউর রহমান বলেন- প্রতিদিন একটি করে ডিম খেলে অপুষ্টি অনেকাংশে দূর করা সম্ভব। তবে কাঁচামাল ও উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় অনেক ক্ষেত্রেই লোকসান গুনতে হচ্ছে বলে জানান তিনি। সারাবছর যেন নায্য মূল্যে খামারিরা ডিম বিক্রি করতে পারেন সেজন্য সরকারের সহযোগিতা চান তিনি।


বিঃ দ্রঃ জাতীয়, আন্তর্জাতিক, লাইফস্টাইল, শিক্ষা, টেকনোলজি, খেলাধুলা, বিনোদন, ইত্যাদি। বাংলা নিউজ রেগুলার আপনার ফেসবুক টাইমলাইনে পেতে লাইক দিন আমাদের ফ্যান পেজ বিডিকষ্ট্

,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Anti-Spam Quiz: